শনিবার , ২০ মার্চ ২০২১ | ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
  1. অনুষ্ঠান
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. করোনা সচেতনতা
  6. করোনাভাইরাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. টিভি Live
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশ জুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী-ও-শিশু

অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন

প্রতিবেদক
ltvofficial
মার্চ ২০, ২০২১ ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

১৭ মার্চ কানাডার অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিবসটির শুরুতে সকাল ১০টায় বাংলাদেশ হাউসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান। এ সময় হাইকমিশনের উপ-হাইকমিশনারসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

পতাকা উত্তোলনের সময় জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। পতাকা উত্তোলনের পর বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দিবসের পরবর্তী কর্মসূচি বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিলনায়তনে শুরু হয় বিকেল ৫.৩০ মিনিটে।

শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে হাইকমিশনারের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পর এদিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

বাণী পাঠের পর বঙ্গবন্ধুর জীবন ও অবদানের উপর ভিত্তি করে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ সময় সভাপতিত্ব করেন হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান।

ভার্চুয়ালে বিশেষ আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন- সাবেক মুখ্য সচিব ও স্বনামধন্য কবি ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাসেন মনসুর, কানাডা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মাহমুদ মিয়া, কানাডা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান প্রিন্স, সাবেক ছাত্রনেতা রবিউল আলম এবং বাংলাদেশের রাজনীতির একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র সাবেক মন্ত্রী ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ।

সর্বশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান আলোচনায় অংশ নেন। সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন ও তার জীবনাদর্শ তুলে ধরেন। সকলে একমত প্রকাশ করেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতা না। বঙ্গবন্ধুর অবিসংবাদিত নেতৃত্ব শুধু তকালীন নয় এ ধরনের নেতৃত্ব সমসাময়িক বিশ্বে এখনও বিরল।

বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর মন ছিল হিমালয়ের মতো বিশাল এবং নেতৃত্ব দানে তার সিদ্ধান্ত ছিল সব সময় পর্বতের মতো অটল। তিনি সবসময় মেহনতী মানুষের পক্ষে কথা বলেছেন এবং কাজ করে গেছেন। এজন্য বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশেই নয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাকে বিশ্ব নেতারও সমর্থন দিয়েছিলেন।

তিনি সোনার বাংলা গড়ার যে প্রত্যয় মানুষের মনে জাগিয়েছেন সে পদাংক নিয়েই তার সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে দুর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু শিশুদের অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং তার মন সবসময় দরিদ্র ও দুস্থ শিশুদের জন্য কাতর হয়ে থাকত।

তিনি স্কুলে পড়াকালীন অন্য অভাবী শিশুদের নিজের জিনিস দিয়ে সাহায্য করতেন বলেও অনেকে বলেন। বিশেষভাবে বাংলাদেশের রাজনীতির একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র তোফায়েল আহমেদ বলেন, ১৯২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ বপণ হয়েছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শুরু থেকেই বুঝেছিলেন, পাকিস্তান বাঙালিদের জন্য সৃষ্টি হয়নি। সেজন্যই বঙ্গবন্ধু ১৯৪৮ সাল থেকে নেতৃত্ব দান করে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছিলেন। হাইকমিশনার সভাপতির বক্তব্যে শুরুতেই জাতির জনকসহ সকল শহীদকে বিনম্রচিত্তে স্মরণ করেন।

সর্বশেষ - বিনোদন