• English
  • আজ ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্নাতক-স্নাতকোত্তরের চলমান পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা

১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১ শিক্ষা

আগামী ২৪ মে থেকে পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সকল কলেজ খুলে দেয়া হবে। এদিন থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে।

এর আগ পর্যন্ত কোনো ধরনের পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবে না। কোনো প্রতিষ্ঠানে চলমান পরীক্ষা থাকলেও তা স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

সোমবার শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে জরুরি ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন। দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ, তাই তাদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

সেই সিদ্ধান্তগুলো হলো- সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ২৪ মে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর শুরু হবে। আর আগামী ১৭ মে থেকে সকল হল খুলে দেয়া হবে। এই সময়ে ২৪ মে পর্যন্ত কোনোধরনের পরীক্ষা হবে না। আগামী ২৪ মে’র পর পরীক্ষাগুলো শ্রেণিকক্ষে নেয়া হবে। আর অনলাইন ক্লাসগুলো যেভাবে চলছে সেভাবেই চলমান থাকবে।

ভার্চুয়াল এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘হলগুলো খুলে দেয়ার আগেই আবাসিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাইকে করোনার টিকা দানের ব্যবস্থা করা হবে। এই সময়ে ১৭ মে হল খুলে দেয়ার আগের সময় টিকা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন। যে সকল আবাসিক হলগুলোর সংস্কার ও মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে সেগুলো সম্পন্ন করবেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি শিক্ষার্থীরাও তাদের প্রস্তুতি নেবেন এবং যার যার হলে ফেরার প্রস্তুতি নেবেন। এই সময় অনলাইনে যেসব ক্লাস চলছে সেগুলোর প্রস্তুতি নেবেন। আগামী ২৪ মে থেকে আমরা শ্রেণিকক্ষেই পাঠদানের কাজ শুরু করতে পারব।

এই সিদ্ধান্তগুলো দেশের পাবলিক (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ), প্রাইভেট ও সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রযোজ্য হবে। আর ইতোমধ্যেই যদি কোনও শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করেন, যেটি করার কথা নয়, তাদের অবিলম্বে হল ত্যাগ করতে হবে।

শিক্ষার্থীরা যদি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে ব্যক্তিগত বা দলগতভাবে যে কোনোভাবেই, শিক্ষার সঙ্গে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কবিহীন কোনো ধরনের অনৈতিক, অপরাধমূলক ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হন, তাহলে সেই কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।